টেরিবাজার ব্যবসায়ীদের ব্যতিক্রমী নির্বাচন
চট্টগ্রামে থান কাপড়ের পাইকারি ও খুচরা বিক্রির বৃহত্তম মার্কেট টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন আগামী ১৯ ডিসেম্বর। ছোট-বড় প্রায় ১০০ মার্কেটের সমন্বয়ে গঠিত এ সমিতির নির্বাচন চট্টগ্রামে অন্য বাণিজ্যিক সংগঠনের চেয়ে ব্যতিক্রম। নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্যানেল নেই। প্রার্থীরা ব্যানার-পোস্টার ছাপাতে পারেন না। নির্বাচন কমিশন সব প্রার্থীর পোস্টার ছাপিয়ে প্রচারের ব্যবস্থা করে। ছবিসহ ভোটার তালিকা থাকায় প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। আরও আছে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স।
নির্বাচনী বোর্ড কমিশনার আবদুল হান্নান বলেন, ‘এখানে প্রার্থীদের প্রচারের জন্য লাখ লাখ টাকা খরচের সুযোগ নেই। প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারের কাজ করে নির্বাচন কমিশন। প্রত্যেক মার্কেটের সামনে সব প্রার্থীর প্রতীক ও ছবি সম্বলিত রঙিন পোস্টার ও ব্যানার লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রার্থীরা শুধু লিফলেট দিয়ে প্রচার চালাতে পারেন। প্রার্থীদের ফরম বিক্রির অর্থ দিয়ে প্রচারের খরচ মেটানো হয়।’
জানা গেছে, চট্টগ্রামের টেরিবাজার এলাকার প্রায় ১০০টি ছোট-বড় মার্কেটে প্রায় দুই হাজার দোকান রয়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য এলাকার সব কাপড় ব্যবসায়ী টেরিবাজার থেকে পাইকারি দরে থান কাপড়, থ্রিপিস, শাড়ি ও লুঙ্গি কিনে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে থাকেন। এছাড়া বিদেশি কাপড় বিশেষ করে বিয়ের বাজারের জন্য টেরিবাজার পছন্দের শীর্ষে। সেই চাহিদার জোগান দিতে অনেক অভিজাত দোকান গড়ে ওঠেছে এখানে। লেনদেন হয় প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার।
এই বিশাল বাজারের নেতৃত্ব নির্বাচনে চলছে জোরেশোরে প্রচার। প্রার্থীরা একে অপরের ব্যর্থতা তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সমিতিতে ২ হাজারের অধিক দোকান থাকলেও ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৮৬৭। একই মালিকের একাধিক দোকান থাকায় ভোটার একজন। এজন্য ভোটার সংখ্যা দোকানের তুলনায় কম। নির্বাচনে এবার সভাপতি পদে সাবেক সভাপতি ওসমান গণি চৌধুরী ও বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি আমিনুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহমদ হোসাইন ও সদস্য হাফিজুল ইসলাম। নির্বাচনে মোট ২১ পদের বিপরীতে ৪৯ প্রার্থী। এর মধ্যে একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ২০ পদে ভোট হচ্ছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ৪৮ প্রার্থী নিয়ে আগামী বুধবার ‘মুক্তমঞ্চ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সব প্রার্থী ভোটারদের সামনে তাঁদের নির্বাচনী ওয়াদা ও সাফল্য-ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরবেন। প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বক্তব্য তুলে ধরে ভোটারদের আকৃষ্ট করবেন। রাত আটটা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলবে ওই অনুষ্ঠান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘২০০০ সাল থেকে এই পদ্ধতিতে নির্বাচন হচ্ছে। ব্যতিক্রমী এই নির্বাচন দেশের সব বাণিজ্য সংগঠনের কাছে অনুকরণীয় হতে পারে।’
ভোটার ও বনরূপা ফেব্রিকসের মালিক মহিউদ্দিন বাবুল বলেন, ‘দায়িত্ববান ও অভিজ্ঞ এবং ব্যক্তিগত ও সমিতির কাজে যাঁকে সব সময় কাছে পাই তাঁকেই আমরা নেতা হিসেবে বেছে নেব।’
সরেজমিন দেখা যায়, নির্বাচনে জিততে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে বাজারের বিদ্যমান সমস্যার কথা তুলে ধরছেন। সফলতার পাশাপাশি নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন।
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমার আমলে টেরিবাজারে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে আবারো ভোট চাইছি। পাঁচবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের সময় দেখিনি আঞ্চলিকতা, দেখিনি রাজনৈতিক সংঘাত। যোগ্যদেরই নির্বাচিত করেন ভোটাররা।’
আরেক সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আহমদ হোসাইন বলেন, ‘গত নির্বাচনে মাত্র এক ভোটে আমি হেরে গেলেও সদস্যদের পাশেই ছিলাম। নির্বাচিত হলে আমার সময়ে গ্রহণ করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখব। আর শ্রমিক কেন্দ্রিক বিচার ব্যবস্থা দোকান ও ব্যক্তিগত অফিসের বদলে সমিতি অফিসে চালু, নীরব চাঁদাবাজি বন্ধ এবং সদস্যদের বকেয়া টাকা উত্তোলনে বিশেষ কার্যক্রম চালু করা হবে।’
নির্বাচনী বোর্ড কমিশনার আবদুল হান্নান বলেন, ‘এখানে প্রার্থীদের প্রচারের জন্য লাখ লাখ টাকা খরচের সুযোগ নেই। প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারের কাজ করে নির্বাচন কমিশন। প্রত্যেক মার্কেটের সামনে সব প্রার্থীর প্রতীক ও ছবি সম্বলিত রঙিন পোস্টার ও ব্যানার লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রার্থীরা শুধু লিফলেট দিয়ে প্রচার চালাতে পারেন। প্রার্থীদের ফরম বিক্রির অর্থ দিয়ে প্রচারের খরচ মেটানো হয়।’
জানা গেছে, চট্টগ্রামের টেরিবাজার এলাকার প্রায় ১০০টি ছোট-বড় মার্কেটে প্রায় দুই হাজার দোকান রয়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য এলাকার সব কাপড় ব্যবসায়ী টেরিবাজার থেকে পাইকারি দরে থান কাপড়, থ্রিপিস, শাড়ি ও লুঙ্গি কিনে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে থাকেন। এছাড়া বিদেশি কাপড় বিশেষ করে বিয়ের বাজারের জন্য টেরিবাজার পছন্দের শীর্ষে। সেই চাহিদার জোগান দিতে অনেক অভিজাত দোকান গড়ে ওঠেছে এখানে। লেনদেন হয় প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার।
এই বিশাল বাজারের নেতৃত্ব নির্বাচনে চলছে জোরেশোরে প্রচার। প্রার্থীরা একে অপরের ব্যর্থতা তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সমিতিতে ২ হাজারের অধিক দোকান থাকলেও ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৮৬৭। একই মালিকের একাধিক দোকান থাকায় ভোটার একজন। এজন্য ভোটার সংখ্যা দোকানের তুলনায় কম। নির্বাচনে এবার সভাপতি পদে সাবেক সভাপতি ওসমান গণি চৌধুরী ও বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি আমিনুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহমদ হোসাইন ও সদস্য হাফিজুল ইসলাম। নির্বাচনে মোট ২১ পদের বিপরীতে ৪৯ প্রার্থী। এর মধ্যে একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ২০ পদে ভোট হচ্ছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ৪৮ প্রার্থী নিয়ে আগামী বুধবার ‘মুক্তমঞ্চ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সব প্রার্থী ভোটারদের সামনে তাঁদের নির্বাচনী ওয়াদা ও সাফল্য-ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরবেন। প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বক্তব্য তুলে ধরে ভোটারদের আকৃষ্ট করবেন। রাত আটটা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলবে ওই অনুষ্ঠান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘২০০০ সাল থেকে এই পদ্ধতিতে নির্বাচন হচ্ছে। ব্যতিক্রমী এই নির্বাচন দেশের সব বাণিজ্য সংগঠনের কাছে অনুকরণীয় হতে পারে।’
ভোটার ও বনরূপা ফেব্রিকসের মালিক মহিউদ্দিন বাবুল বলেন, ‘দায়িত্ববান ও অভিজ্ঞ এবং ব্যক্তিগত ও সমিতির কাজে যাঁকে সব সময় কাছে পাই তাঁকেই আমরা নেতা হিসেবে বেছে নেব।’
সরেজমিন দেখা যায়, নির্বাচনে জিততে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে বাজারের বিদ্যমান সমস্যার কথা তুলে ধরছেন। সফলতার পাশাপাশি নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন।
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমার আমলে টেরিবাজারে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে আবারো ভোট চাইছি। পাঁচবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের সময় দেখিনি আঞ্চলিকতা, দেখিনি রাজনৈতিক সংঘাত। যোগ্যদেরই নির্বাচিত করেন ভোটাররা।’
আরেক সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আহমদ হোসাইন বলেন, ‘গত নির্বাচনে মাত্র এক ভোটে আমি হেরে গেলেও সদস্যদের পাশেই ছিলাম। নির্বাচিত হলে আমার সময়ে গ্রহণ করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখব। আর শ্রমিক কেন্দ্রিক বিচার ব্যবস্থা দোকান ও ব্যক্তিগত অফিসের বদলে সমিতি অফিসে চালু, নীরব চাঁদাবাজি বন্ধ এবং সদস্যদের বকেয়া টাকা উত্তোলনে বিশেষ কার্যক্রম চালু করা হবে।’

Post a Comment